Tuesday, July 17, 2012

পদ্মা সেতুতে ঋণ বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা কম হলেও তা একেবারেই অসম্ভব নয়: বিশ্ব ব্যাংক

পদ্মা সেতুতে ঋণ বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা কম হলেও তা একেবারেই অসম্ভব নয় বলে জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। পদ্মা সেতুতে ঋণচুক্তি বাতিলের পর উদ্ভূত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দিয়ে মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমে নিজেদের বক্তব্য পাঠিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। 
প্রশ্ন-উত্তরে সাজানো সংস্থাটির বক্তব্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পে নিজেদের ফিরে আসার সম্ভাবনা যে একটু হলেও রয়েছে, তাই বলা হয়েছে। 

‘পদ্মা সেতু প্রকল্প বাতিল সংক্রান্ত প্রশ্ন-উত্তর’ শিরোনামের তিন পৃষ্ঠার এই বক্তব্যের শেষ প্রশ্নটি ছিল- বাতিল সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার কোনো অবকাশ কি আছে? 

উত্তরে বলা হয়েছে, “অন্যান্য দেশে বাতিলকৃত ঋণ পুনরায় চালু করার ক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যাংকের কয়েকটি মাত্র নজির রয়েছে। তাই, এটি অসম্ভব নয়। 

“তবে এই ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার খুব সীমিত সুযোগ রয়েছে। কারণ, পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুর্নীতির প্রমাণ সম্পর্কে প্রস্তাবিত চারটি অভিযোগের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যাপক আলোচিত দুটি অভিযোগের ব্যাপারে সরকার ইতিবাচক সাড়া দেয়নি।” 

কী কী প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং সরকার এর কোনটিতে সম্মত হয়েছিল- এই প্রশ্নের উত্তরে বিশ্ব ব্যাংক বলেছে, সরকারকে চারটি পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সরকার এর মধ্যে দুটি করতে পারেনি। 

দুর্নীতি দমন কমিশনকে একটি বিশেষ যৌথ তদন্ত ও বিচারিক দল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং সরকার একটি বিকল্প প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যবস্থা করতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যে দুটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল বলে বিশ্ব ব্যাংক জানিয়েছে। 

তবে বিশ্ব ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একটি বাইরের প্যানেল্যের কাছে তথ্য দেওয়ার এবং প্যানেলকে তদন্ত প্রক্রিয়ায় পর্যাপ্ততা মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা দুর্নীতি দমন কমিশন মেনে নেয়নি বলে বিশ্ব ব্যাংকের দাবি।  পদ্মা সেতু ঋণচুক্তি বাতিলের ফলে বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের চলমান অন্যান্য প্রকল্পে সরাসরি কোনো প্রভাব পড়বে না বলে একটি প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছে সংস্থাটি।  

এছাড়া তদন্ত চলাকালে সরকারি দায়িত্ব পালন থেকে সরকারি ব্যক্তিবর্গ (আমলা ও রাজনৈতিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত) ছুটি দিতে সরকার রাজি হয়নি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। চারটি ব্যবস্থার মধ্যে দুটি বিষয়ে ঐকমত্য না হওয়ায় সহায়তা বাতিল করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না, বলেছে বিশ্ব ব্যাংক। দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে দাবি করে দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বাতিলের ঘোষণা গত মাসে দেয় বিশ্ব ব্যাংক। 

দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসা সরকারের পক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলে আসছেন, বিশ্ব ব্যাংক ‘ভুল’ বুঝে তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবে বলে তিনি আশাবাদী।   গত ২৯ জুন বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত জানানোর পর সরকার নিজস্ব অর্থায়নে ২৯০ কোটি ডলারের এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। দেশীয় অর্থায়নের রূপরেখাও সংসদে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিশ্ব ব্যাংক ১২টি প্রশ্নোত্তরে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণ ব্যাখ্যা করেছে। সংস্থাটি বলেছে, “এটি (ঋণ বাতিল) একটি দুঃখজনক ঘটনা। এই সেতুটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও সারা দেশের প্রবৃদ্ধি জোরদার ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের জন্য বিশেষ সম্ভাবনাময় ছিল।” বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোনো দেশে এ ধরনের ঘটনা ঘটলেও বিশ্ব ব্যাংক একই সিদ্ধান্ত নিত বলে অন্য এক প্রশ্নের উত্তরে বলা হয়েছে। 


একদিনের বেতনের অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত:নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণাকে একটি রাষ্ট্রনায়কোচিত পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিএফইউজে ও সারা দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন


মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা হিসেবে একদিনের বেতনের অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী পরিষদের চতুর্থ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
 
সভায় কোন বিদেশী এজেন্সির সহায়তা বা করুণার প্রতি তাকিয়ে না থেকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের ঘোষণাকে একটি রাষ্ট্রনায়কোচিত পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিএফইউজে ও সারা দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ সাংবাদিক সমাজের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়। সভায় পদ্মা সেতু নির্মাণে বিএফইউজের ১০টি অঙ্গ ইউয়িনের সদস্যদের একদিনের বেতনের সমপরিমান অর্থ সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন বিএফইউজে সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী। সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরীর উত্থাপতি প্রস্তাবকে সমর্থন করেন বিএফইউজে নির্বাহি পরিষদের পক্ষে মহাসচিব আবদুল জুলিল ভুইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহীদুল আলম, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, যশোহর সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ওয়াহাবুজ্জামান ঝন্টু, দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওয়াহিদুল আলম আর্টিষ্ট, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আকবারুল আলম মিল্লাত, বগুড়া সাংবাদিক ইউয়িনের সভাপতি আকতারুজ্জামান, ময়মনসিংহ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাজী মো. ইয়াসিন ও নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাফিস আশরাফ।  সভায় সিদ্ধান্ত হয় স্ব স্ব ইউনিয়ন নিজ উদ্যোগে সদস্যদের একদিনের বেতনের সমপরিমান টাকা সংগ্রহ করে বিএফইউজের মহাসচিব আবদুল জলিল ভুইয়ার কাছে জমা দেবেন। সকল অঙ্গ ইউনিয়নের সদস্যদের অনুদানের টাকা কেন্দ্রীয়ভাবে জমা হওয়ার পর তা  আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করবে বিএফইউজে।
 
সভায় অষ্টম বেতন বোর্ড  গঠন, দূ:স্থ অসহায় সাংবাদিকদের জন্য স্বাধীনতার ৪০ বছর পর প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে রাজস্ব খাতের আওতায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রথম পর্যায়ে ১ কোটি টাকার স্থায়ী আর্থিক সহায়তা তহবিল গঠন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্ট অন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। গৃহিত অপর প্রস্তাবে সম্প্রতি নিহত সাংবাদিক সাগর-রুনিসহ অতীতে বিভিন্ন সময়ে নিহত সকল সাংবাদিক হত্যার বিচার দাবি করা হয়। সভায় বিএফইউজের পক্ষ থেকে সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভায় শতকরা ১২০ ভাগ মহার্ঘ্যভাতার দাবির প্রস্তাব উত্থাপন করতে সভাপতি ও মহাসচিবকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। সভায় গৃহিত অপর প্রস্তাবে বিএফইউজে নেতৃবৃন্দকে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাত্ দেওয়ায় রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানকে ধন্যবাদ জানানো হয়

ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড ও সোসাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক‘সন্দেহভাজন’ ও সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন করে:আমেরিকার সিনেটের অভিযোগ


ওয়াশিংটন, ১৭ জুলাই বাংলাদেশ, মেক্সিকো, সৌদি আরব, ইরান, সুদান, বার্মা উত্তর কোরিয়ার অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এইচএসবিসিপর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণছাড়াই লেনদেন করছে, যেই প্রতিষ্ঠানগুলোসন্দেহভাজন’ ও সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন করে আমেরিকার আইনপ্রণেতারা অভিযোগ এনেছেন সন্ত্রাসীমাদক পাচারকারী  মুদ্রা পাচারকারীদের জন্য আমেরিকার আর্থিক ব্যবস্থার দরজা খুলে দিয়েছে লন্ডন ভিত্তিক  ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসি 
 মঙ্গলবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে  বলা হয় সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন করার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ থাকার পর ও বাংলাদেশের ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সোসাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (সাবেকসোসাল ইসলামি ব্যাংক’) আমেরিকার ডলার সরবরাহ করেছে এইচএসবিসি; আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সরকারি বিষয়াদি সংক্রান্ত সিনেট কমিটির আনা এমন অভিযোগের জবাবদিহি করতে মঙ্গলবার সিনেটে হাজির হবে এইচএসবিসি কর্তৃপক্ষ
প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ উল্লেখ করে বলা হয় মুদ্রা পাচারের এমন উচ্চ ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও দেশটির দুটি ব্যাংকের সঙ্গে এইচএসবিসি লেনদেন করেছে মুদ্রা পাচার বিরোধী কোনো ধরণের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়াই।

আমেরিকার সংসদের উচ্চকক্ষ সিনেটে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সরকারি বিষয়াদি সংক্রান্ত কমিটি তদন্ত বিষয়ক স্থায়ী উপকমিটি প্রণীত এই প্রতিবেদন বিষয়ে মঙ্গলবার সিনেটে হাজির হয়ে ভবিষ্যতে এমনটি হবে না মর্মে নিশ্চয়তা দেবে বলে জানিয়েছে ব্যাংকটির কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে ব্যাংকটি জানিয়েছে ভবিষ্যতে যাতে এমনটি না হয় সে লক্ষ্যে মুদ্রাপাচার প্রতিরোধে ব্যাংকের উদ্যোগের বাজেট দ্বিগুন করা হবে।

৩৩৫ পৃষ্ঠার বিশাল প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সংশ্লিষ্ট অংশ সামান্যই। দুটি বেসরকারি ব্যাংক- ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সোসাল ইসলামি ব্যাংকের সঙ্গে এইচএসবিসি লেনদেনে আপত্তি তুলেছে আমেরিকা। প্রতিবেদনে বলা হয়, এইচএসবিসি আমেরিকান ব্যাংক এইচবিইউএস- যখন ‘‘২০০৭ সালে যখন ইসলামি ব্যাংক একটি হিসাব খোলার আবেদন করে তখন এইচবিইউএস-এর মুদ্রা পাচার বিরোধী বিভাগ থেকেই খোদ আপত্তি তোলা হয়, আপত্তির কারণ শুধুই এই নয় যে এইচবিসির হিসাবেই ব্যাংকটি এমন এক দেশে অবস্থিত যেখানে মুদ্রা পাচারেরউচ্চ ঝুঁকি আছে, কিংবা এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের হিসাবে বিশ্বে সর্বোচ্চ মাত্রায় দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি, বরং একইসঙ্গে ইসলামি ব্যাংকের মালিকানার শতকরা ৩৭ ভাগের অধিকারী হচ্ছেন আল-রাজি গ্রুপের মালিকরা।’’

প্রসঙ্গত সৌদি আরবের আল-রাজি গ্রুপের আল-রাজি ব্যাংকসন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন করছে অভিযোগের প্রেক্ষিতে অনেক আগেই তাদের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করেছে এইচএসবিসি। প্রতিবেদনে বলা হয়, নানা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ফলে যদিও বর্তমানে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ এইচএসবিসি আমেরিকান ডলারের ব্যাংক নোটের ব্যবসা ২০১০ সালে বাদ পড়েছে কিন্তু, এইচএসবিসি দুই ডজন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসা রয়েছে তাদের, যার ফলে আমেরিকার ডলার, মুদ্রা স্থানান্তর অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থায় প্রবেশিধাকর আছে ইসলামি ব্যাংকের।

সোসাল ইসলামি ব্যাংকের (বর্তমানেসোসাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক’) ব্যাপারেওসন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদে অর্থায়নে সহায়তার অভিযোগ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। বলা হয়, ‘‘সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগটি হল, ব্যাংকটির মালিকানার দুই অংশীদার- ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক রিলিফ অর্গানাইজেশন লাজনাত আল বির আল ইসলামে সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যোগসূত্র আছে।’’
সিনেট কমিটির প্রধান সিনেটর কার্ল রেভিন এই প্রতিবেদন প্রকাশকালে তার বিবৃতিতে বলেছেন, ‘‘অবৈধ মুদ্রা ব্যবসা বন্ধ করতে যদি কোনো আন্তর্জাতিক ব্যাংক তার অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর উচিত এটা বিবেচনা করা যে এইচএসবিসি ব্যবহৃত আমেরিকান অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর সনদ বাতিল করা হবে কি না।প্রতিবেদনে জানানো হয়এই বছরের মে মাসে সোসাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের সঙ্গে সব ধরণের সম্পর্ক ছিন্ন করেছে এইচএসবিসি। তদন্তকালে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করেছে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড  সোসাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক।###

Monday, July 16, 2012

টেলিফোনে যাতায়াত সমস্যার কথা শুনে মঙ্গলবার থেকেই ডেমরা-মতিঝিল রুটে নারীদের জন্য দুটি বাস চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী




টেলিফোনে যাতায়াত সমস্যার কথা শুনে  রাজধানীর ডেমরার নারীদের জন্য বাস সার্ভিস চালুর তাৎক্ষণিক নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডেমরার কয়েকজন কর্মজীবী নারীর ফোনালাপের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (মিডিয়া) মাহবুবুল হক শাকিল।  (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

 তিনি বলেন, “ওই নারীরা প্রধানমন্ত্রীকে তাদের এলাকা থেকে ঢাকায় কোনো নারী বাস সার্ভিস না থাকার কথা জানান। তারা জানান, এই রুটে বাস চলাচল শুরু হলে তাদের অনেক উপকার হবে।” তাৎক্ষণিকভাবে প্রধানমন্ত্রী বিআরটিসির চেয়ারম্যান এম এন ইকবালকে ডেকে আনেন। 

মাহবুবুল শাকিল বলেন, “চেয়ারম্যান গণভবনে উপস্থিত হলে মঙ্গলবার থেকেই ডেমরা-মতিঝিল রুটে নারীদের জন্য দুটি বাস চালুর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।”  গত ৪ জুলাই সংসদে এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তার দুটি মোবাইল ফোন নম্বর এবং ই-মেইল ঠিকানা জনগণের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করেন। এ সময় পরিবারের সদস্যদের নাম ভাঙিয়ে কেউ অবৈধ সুযোগ নিতে চাইলে তা সরাসরি জানানোর অনুরোধ করেন শেখ হাসিনা।  এরপর স্কুলছাত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ তাকে ফোন করে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলছেন।  প্রধানমন্ত্রীর মোবাইল নম্বর +৮৮ ০১৭১১৫২০০০০ এবং +৮৮ ০১৮১৯২৬০৩৭১। ই-মেইল ঠিকানা হলো, sheikhhasina@hotmail.com। 

এবারের রোজায় অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত

এবারের রোজায় সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও আধা-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। এরমধ্যে সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত সময় দেয়া রয়েছে নামাজের জন্য।  

সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে রোজার মাসের জন্য নতুন এই অফিসসময় জানানো হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, ব্যাংক ও বীমাসহ অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক, রেলওয়ে, হাসপাতাল ও রাষ্ট্রায়ত্ব শিল্প প্রতিষ্ঠান, কল-কারখানা এবং জরুরি সেবাখাতে নিয়োজিত অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিজস্ব নিয়মমত অফিস সময় ঠিক করে নেবে। সুপ্রিম কোর্ট নিজেদের এবং তাদের আওতাধীন বিভিন্ন আদালতের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করবে।###

Accident in Sitakunda Ship Breaking: 6 injured


mxZvKy‡Û mxgv A‡Uv wi-†ivwjs wg‡j dv‡b©m we‡ùvi‡Y
10 kªwgK AvnZ :gvwjK c‡¶i A¯^xKvi
ZvjyK`vi wb‡`©k eo–qv, mxZvKyÛ: mxZvKyÊ Dc‡Rjvi fvwUqvix BDwbq‡bi evbyi evRvi mxgv A‡Uv wi-†ivwjs wg‡j dv‡b©m we‡ùviY N‡U‡Q| Gmgq Kg©iZ kªwgK †gvt AvKvk (24), Rv‡e` †nv‡mb (26), †gvt byiyj Bmjvg(33), †gvt nvmvb(32), evey weï (35), †gvt eki(30)mn AÁvZ bvgv 5/6 Rb ¸iyZi AvnZ n‡q‡Q| 15B RyjvB iweevi weKvj 4Uvq GB `yN©UbvwU N‡U| ¯’vbxq m~‡Î Rvbv hvq, ¸iyZi AvnZ 10 Rb kªwgK‡K PÆMÖvg kn‡i Avj-Avwgb nvmcvZv‡j fwZ© Kiv n‡q‡Q| G‡`i g‡a¨ Qq R‡bi Ae¯’v AvksKvRbK e‡j Avj-Avwgb nvmcvZv‡ji KZ©e¨iZ wPwKrmKiv Rvbvb|
 iweevi ivZ 8:30 wgwb‡U Ge¨vcv‡i Rvb‡Z mxgv A‡Uv wi-‡ivwjs wg‡ji gvwjK †gvt mwd‡K Zvi †gvevBj †dv‡bi `ywU bv¤^v‡i †dvb Ki‡j GK e¨w³ wiwmf K‡i Rvbvb, Òmwd mv‡ne †bB| Avwg Zvi Awd‡m Kg©iZ AvwQ| ÓZvi c`ex Rvb‡Z PvB‡j wZwb Zv bv Rvwb‡q e‡jb,Ò d¨v±ix‡Z mvgvb¨ GKwU NUbv N‡U‡Q| G‡Z †KD gviv hvqwb 2/3 Rb mvgvb¨ AvnZ n‡q‡Q| Zv‡`i‡K nvmcvZv‡j fwZ© K‡i wPwKrmv †`Iqv n‡”Q|Ó
mxgv A‡Uv wi-†ivwjs wg‡ji Gg`v` gvwS Rvbvb, weKvi 4Uvi mgq 4bs dv‡b©‡m wKQy wQU‡K c‡o dv‡b©m we‡ùvwiZ nq| dv‡b©‡mi GK dzU Dc‡i g¨vM‡bU _vKvi Kvi‡b kªwg‡Kiv †eu‡P hvq| mxgv A‡Uv wi-†ivwjs wg‡j cÖvq mgq †QvULv‡Uv `yN©Ubv N‡U|  ###